সংবাদ শিরোনামঃ
দেবহাটায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত ধর্মপ্রাণ মানুষকে ‘ধর্মান্ধ ’ আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে দেবহাটায় মানববন্ধন সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটির শ্যামনগর উপজেলা পর্যবেক্ষক ও তথ্য সমন্বয়ক হলেন উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ জহিরুল ইসলাম সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ‘দুলাভাই বাহিনী’র সঙ্গে কোস্ট গার্ডের গোলাগুলি; অভিযান এখনো চলমান। শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে জামায়াতের র‌্যালি ও সমাবেশ  বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ শ্যামনগর শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরাবাসীকে “ধর্মান্ধ” মন্তব্যের প্রতিবাদে ডিসির বিরুদ্ধে শ্যামনগরে ওলামাদের বিক্ষোভ সমাবেশ গাবুরায় বেড়িবাঁধের স্থিতিস্থাপকতায় মহিলাদের কণ্ঠস্বর: সম্প্রদায় পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত ভারত থেকে পুশ-ইন প্রতিরোধে সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) গ্রামবাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে কাক, বাড়ছে পরিবেশগত উদ্বেগ
শ্যামনগরে মহান স্বাধীনতা দিবসে নতুন স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন 

শ্যামনগরে মহান স্বাধীনতা দিবসে নতুন স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন 

 শ‍্যামনগর প্রতিনিধি:
২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে নতুন স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন অবসরপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন, ৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান কালীন শ্যামনগর সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ এম এ জলিল এর ছোট পুত্র সাতক্ষীরা নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিজ্ঞ পি পি, শ্যামনগর পৌরসভার রুপকার ও সদর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জহুরুল হায়দার বাবু।
২৬ শে মার্চ সোমবার বিকাল ৪ টায়  শ্যামনগর পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে উক্ত স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় শ্যামনগরের বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট জহুরুল হায়দার বাবু বলেন সকল বাধা-বিপত্তিকে উপেক্ষা করে শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ডে তার নিজস্ব অর্থায়নে ও তত্ববধানে নতুন স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হবে।
বেশ কিছু দিন ধরে জামায়াত নেতা বকুলের এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তোলপাড় শুরু হয় শ্যামনগরে, সেখানে বলতে শোনা যায় বকুল নাকি গোপালপুর স্মৃতিসৌধ বানাতে ২ লক্ষ টাকা অনুদান দেয়। আর তার এই বক্তব্য মেনে নিতে পারছে না শ্যামনগরের মুক্তিযোদ্ধারা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা।
জামায়াত নেতার অনুদানের টাকায় তৈরি গোপালপুর স্মৃতিসৌধে এবারে অনেকেই শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে যাননি।
তবে মুক্তিযোদ্ধাদের আলটিমেটামে পড়ে বকুলকে তার ফেসবুক আইডি থেকে একটা ভিডিও বার্তা দেন এবং তাতে তাকে বলতে শোনা যায়, সে গোপালপুর স্মৃতিসৌধে কোন টাকা অনুদান দেননি। ফলে কিছু কিছু সংগঠন স্মৃতিসৌধে গেলেও অনেক সংগঠন কে স্মৃতিসৌধে যেতে দেখা যায়নি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *